ঢাকা, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
শিরোনাম

র‍্যাশ ও চুলকানিতে অ্যালোভেরা কতটা উপকারী

  লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ : ১৯ জুলাই ২০২৬, ১৫:৩৮

র‍্যাশ ও চুলকানিতে অ্যালোভেরা কতটা উপকারী
ছবি: সংগৃহীত

ত্বকের র‍্যাশ, চুলকানি বা জ্বালাপোড়ার সমস্যায় অনেকেই অ্যালোভেরা ব্যবহার করেন। কারণ ভেষজ চিকিৎসায় বহু বছর ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে এ উপাদান। অ্যালোভেরায় রয়েছে এমন কিছু উপাদান, যা প্রদাহ কমাতে, ত্বককে আর্দ্র রাখতে এবং জ্বালাপোড়া কমাতে সহায়তা করে। তাই র‍্যাশ বা অ্যালার্জিজনিত অস্বস্তিতে এটি বেশ জনপ্রিয় ঘরোয়া উপায়। অ্যালোভেরার জেল ত্বকে লাগালে ত্বক অনেকটা শীতল হয়। এর ব্যবহারে চুলকানি ও জ্বালাপোড়া অনেকটাই কমে। অতিসংবেদনশীল ত্বকেও এটি ব্যবহার করা যায়।

কেন অ্যালোভেরা উপকারী?

অ্যালোভেরায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বকের কোষকে ক্ষতিকর ফ্রি র‍্যাডিক্যালের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে। ফলে এটি বলিরেখা ও অকাল বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে। ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতাও বজায় রাখে। এটি ত্বকের মরা কোষ অপসারণে সহায়তা করে। এর ফলে ত্বক পরিষ্কার, কোমল ও সতেজ দেখায়।

অ্যালোভেরা তথা ঘৃতকুমারীতে ভিটামিন এ রয়েছে। এ উপাদান ত্বকের ক্ষত সারাতে সহায়তা করে এবং নতুন কোষ তৈরির প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করে। ত্বকের স্বাভাবিক প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতেও ভূমিকা রাখে।

ঘৃতকুমারীতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকের রঙ সমান রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা দেয় এবং কালচে দাগ কমাতে সহায়ক।

কীভাবে ব্যবহার করবেন? সবচেয়ে ভালো ফল পেতে তাজা অ্যালোভেরা জেল ব্যবহার করা যায়। একটি অ্যালোভেরার পাতা কেটে ভেতরের জেল বের করুন। আক্রান্ত স্থানে জেল লাগিয়ে ৫-১০ মিনিট রেখে দিন। এরপর চাইলে ধুয়ে ফেলতে পারেন অথবা শুকিয়ে গেলে স্বাভাবিকভাবেই রেখে দিতে পারেন। দিনে দুইবার ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। ত্বক যদি শুষ্ক হয়, তবে অ্যালোভেরা ব্যবহারের পর ময়েশ্চারাইজার বা ভার্জিন নারকেল তেল লাগান।

চুলকানি কমাতে কি কাজ করে? অ্যালোভেরার শীতল ও ময়েশ্চারাইজিং বৈশিষ্ট্য চুলকানি কমাতে সাহায্য করে। খোসপাঁচড়ার মতো কিছু ত্বকের সমস্যাতেও এটি সহায়ক হতে পারে। তবে এটি মূল রোগের চিকিৎসা নয়; বরং সাময়িকভাবে অস্বস্তি কমায়।

মনে রাখা জরুরি, অ্যালোভেরা র‍্যাশ, লালচে ভাব ও চুলকানি কমাতে সহায়ক হলেও, এটি স্থায়ী সমাধান নয়। র‍্যাশ যদি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, তীব্র ব্যথা, জ্বর, ফোসকার মতো উপসর্গ দেখা দেয়, কিংবা কয়েক দিনের মধ্যে না কমে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

সূত্র: স্টাইলক্রেজ

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত