ঢাকা, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ আপডেট : ৩ মিনিট আগে
শিরোনাম

ফুটবলার রহমত মিয়ার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ০৮:১৮

ফুটবলার রহমত মিয়ার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় রহমত মিয়ার বিরুদ্ধে তার প্রথম স্ত্রী, শাশুড়ি ও স্বজনকে মারধর এবং আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রামে শুক্রবার সন্ধ্যায় রহমত মিয়ার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন মহম্মদপুর থানার ওসি মো. আশরাফুজ্জামান।

বর্তমানে রহমতের স্ত্রী সাদিয়া ইসলাম (২১) ও শাশুড়ি আফরোজা বেগম (৫২) মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সবশেষ ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াডে নেই রহমত মিয়া।

সান ম্যারিনোর বিপক্ষে মাঠে নামার পাঁচ দিন আগে ৩০ মে কোচ টমাস ডুলি যে দল ঘোষণা করেন তাতে প্রাথমিক দল থেকে বাদ যাওয়া সাতজনের একজন রহমত মিয়া।

পরিবারের সদস্যদের বরাতে পুলিশ জানায়, ২০২২ সালে ফুটবলার রহমত মিয়ার সঙ্গে রাজশাহী সদর উপজেলার তকিপুর গ্রামের সাদিয়া ইসলামের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। সাদিয়ার মায়ের বাবার বাড়ি মহম্মদপুর উপজেলায় হওয়ায় দুই পরিবারের পরিচয়ের মাধ্যমে এই বিয়ে হয়। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে এই দম্পতির একটি কন্যাসন্তান জন্ম নেয়।

সাদিয়ার অভিযোগ, তিনি অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় রহমত মিয়া অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান এবং ২০২৫ সালে তার অনুমতি ছাড়াই দ্বিতীয় বিয়ে করেন। এরপর থেকে তাকে বিভিন্নভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়।

প্রায় এক বছর ধরে তারা আলাদা থাকছে বলে দাবি করেন তিনি।

সাদিয়া বলেন, ‘‘শুক্রবার বিকালে রহমত মিয়া মেয়েকে স্বর্ণালংকার উপহার দেওয়ার কথা বলে তাকে মহম্মদপুরের মধুমতী সেতুর ওপর আসতে বলেন। সেখানে দেখা হওয়ার পর রহমত মিয়া তার কোল থেকে মেয়েকে নিয়ে নিজের বাড়িতে চলে যান।’’

মেয়েকে ফেরত আনতে সাদিয়া তার মা, মামি এবং স্থানীয় ইউপি সদস্য ইরানি বেগমকে সঙ্গে নিয়ে রহমতের বাড়িতে যান। সেখানে গিয়ে তারা হামলার শিকার হন বলে অভিযোগ করেন সাদিয়া।

তার অভিযোগ, রহমত, তার বাবা ও ভাই বাড়ির গেইট বন্ধ করে দেন। এরপর রহমত তাকে লাঠি দিয়ে মারধর করেন এবং শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করেন। তার মা ও মামিকেও মারধর করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

সাদিয়ার মামা মাছুদ রানা বলেন, ‘‘এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।’’

ওসি মো. আশরাফুজ্জামান বলেন, ‘‘ঘটনাটি পারিবারিক বিরোধের কারণে হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এখন পর্যন্ত মৌখিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’

ঘটনার বিষয়ে বক্তব্য জানতে রহমত মিয়াকে একাধিকবার ফোনে করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত