ঢাকা, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ আপডেট : ১৪ মিনিট আগে
শিরোনাম

ময়মনসিংহের কংস নদীর বেইলি সেতু ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ১২:২৬

ময়মনসিংহের কংস নদীর বেইলি সেতু ধসে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ছবি: সংগৃহীত

ময়মনসিংহের ধোবাউড়া উপজেলায় কংস নদীতে বেইলি সেতু ধসে পড়ায় তারাকান্দাসহ জেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে উপজেলাটি।

রোববার ভোর ৪টার দিকে গোয়াতলা বাজার এলাকায় সেতুটিতে বালুবোঝাই ট্রাক ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই সেটি ধসে পড়ে বলে জানিয়েছেন ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন।

এ ঘটনায় কোনো হতাহত বা আহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে তারাকান্দা-ধোবাউড়া প্রধান সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই পাড়ের হাজার হাজার মানুষ, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও সাধারণ যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

কংস নদীর ওপর নির্মিত এই সেতুটি ধোবাউড়া উপজেলার সঙ্গে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা ও ময়মনসিংহ সদরের যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হতো। প্রতিদিন শত শত মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, পিকআপ, ছোট যানবাহন ও পথচারী এই সড়ক ব্যবহার করতেন।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সেতুটির বিভিন্ন অংশ দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। ফাটল ও ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে একাধিকবার জানানো হলেও প্রয়োজনীয় সংস্কার বা বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘‘ব্রিজটির বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ফাটল ও দুর্বলতা ছিল। বিষয়টি জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।’’

আরেক বাসিন্দা হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘‘সেতুটি ধসে যাওয়ার পর অনেকে ঝুঁকি নিয়ে হেঁটে নদী পার হচ্ছেন। তবে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় জরুরি রোগী পরিবহন, শিক্ষার্থী যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।’’

স্থানীয় বাসিন্দা মো. সাইফুল ইসলাম দ্রুত বিকল্প সেতু বা অস্থায়ী পারাপারের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে বলেন, প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই সড়কের ওপর নির্ভরশীল।

প্রায় ১০ বছর আগে থেকেই সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানান ধোবাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন। তিনি বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে এবং প্রশাসন ও সড়ক বিভাগের কর্মকর্তারা কাজ করছেন। বিকল্প যোগাযোগ ব্যবস্থা ও মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এনএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত