ঢাকা, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ আপডেট : ২৮ মিনিট আগে
শিরোনাম

সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৬, ১৭:৪০

সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তা করে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

দেশের প্রত্যেককে একটি করে গাছের চারা রোপণের অনুরোধ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) বেলা ৩টায় ডুলহাজারার মালুম ঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করে প্রধানমন্ত্রী জনসাধারণের প্রতি এই আহ্ববান জানান।

তিনি বলেন, “আমি দেশের সকলের কাছে অনুরোধ করব, আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে, আপনার সন্তান যেন একটি সুন্দর পরিবেশে বুক ভরে শ্বাস নিতে পারে, এই বিষয়টি মাথায় রেখে, এই চিন্তা থেকে আজকে থেকে প্রত্যেকে দয়া করে যার যেখানে সম্ভব সেখানে একটি করে বৃক্ষের চারা রোপণ করবেন।”

সরকারপ্রধান বলেন, “আমরা যদি এই বৃক্ষরোপণ অভিযানকে সফল করতে পারি তাহলে এতটুকু আমরা ধারণা করতে পারি যে, আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ঠিকভাবে বুক ভরে পরিষ্কার শ্বাস নিতে পারবে।

“আসুন আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি নিশ্চয়তা দিই, একটি পরিষ্কার একটি দূষণ মুক্ত পরিবেশ গড়তে পারি যেখানে আমাদের প্রজন্ম পরিস্কার পরিবেশে বাস করবে।”

বিএনপির নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, “নির্বাচনের আগে আমরা দেশের মানুষের কাছে ওয়াদা করেছিলাম, নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি যেগুলো দিয়েছিলাম, তার মধ্যে একটি প্রতিশ্রুতি ছিল যে আমরা যদি আল্লাহর রহমতে সরকার গঠন করতে পারি তাহলে আমরা দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করব। আমাদের লক্ষ্য থাকবে বছরে অন্তত, আল্লাহর রহমতে পাঁচ কোটি গাছ লাগানো। আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছের চার রোপণ করব আমরা।”

জনসাধারণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসুন আমরা যদি সকলে মিলে চেষ্টা করি তাহলে আগামী দিনে বাংলাদেশের বাতাসকে আমরা অনেক মুক্ত পরিষ্কার বিশুদ্ধ একটি বাতাসে আমরা রূপান্তর করতে পারব।”

সারাদেশের জেলা প্রশাসকদের প্রতি অনুরোধ রেখে তিনি বলেন, “আজকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশেষ করে এখানে খুব সম্ভবত বিভিন্ন জেলার প্রশাসকবৃন্দ সংযুক্ত আছেন। আপনাদের সকলের কাছে আমার নির্দেশনা থাকবে যে আপনার নিজ নিজ জেলাকে সুন্দর সবুজ অভয়ারণ্য করার জন্য যে সকল উদ্যোগ গ্রহণ করবেন।”

“আমি আনুষ্ঠানিকভাবে আজকে এই বৃক্ষরোপণ অভিযান ঘোষণা করছি। আমরা শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করছি। আমরা আশা করি আমাদের ইচ্ছা আমাদের প্রত্যাশা যে আমরা আগামী দিনে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজম্যকে তারা যাতে বুক ভরে মুক্ত শ্বাস গ্রহণ করতে পারে সেরকম একটি, ইনশাআল্লাহ পরিবেশ আমরা গড়ে তুলতে পারবো।”

‘ডুলহাজরা সাফারি পার্ক পরিদর্শন’

পাতিলী খাল পূন:খনন শেষে দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তার সহধর্মিনীকে সঙ্গে নিয়ে আসেন ডুলহাজারা সাফারি পার্কে। সেখানে তাকে স্বাগত জানান, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ও প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রী সবুজ অরণ্যে বিভিন্ন গাছ-গাছালির পাশাপাশি পশু-পাখি ঘুরে দেখেন। সাফারি পার্কের মূল ফটকের সামনে একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান সাফারি পার্কের স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করেন।

নিজেই গাড়ি চালান প্রধানমন্ত্রী

সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছানোর পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে গাড়িতে ওঠেন। তিনি নিজেই গাড়ি চালান।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করেছেন। তার পাশের আসনে বসেছেন স্বরাষ্ট্র সালাহ উদ্দিন আহমদ। পেছনের আসনে বসেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিনী জুবাইদা রহমান এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর স্ত্রী হাসিনা আহমদ।”

কক্সবাজার থেকে পেকুয়া পর্যন্ত দীর্ঘ পথ প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালান প্রধানমন্ত্রী। এরপর চকরিয়ায় জনসভায় বক্তব্য রাখার কথা রয়েছে তার।

বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি

  • সর্বশেষ
  • পঠিত