ঢাকা, রোববার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ আপডেট : ৯ মিনিট আগে
শিরোনাম

রিকশাচালক ও হকারদের নিবন্ধনের আওতায় আনতে চায় ডিএসসিসি

  জার্নাল ডেস্ক

প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ২০:২৩

রিকশাচালক ও হকারদের নিবন্ধনের আওতায় আনতে চায় ডিএসসিসি

রিকশাচালক ও হকারদের নিবন্ধনের আওতায় আনার পরিকল্পনা করছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। সেইসঙ্গে ধানমন্ডি লেককে কোনোভাবেই ‘বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না’ বলে ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

ডিএসসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রোববার ধানমন্ডির রাশিয়ান কালচারাল সেন্টারে ডিএসসিসির অঞ্চল-১ এর নাগরিক সেবা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম নিয়ে আয়োজিত এক গণশুনানিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নাগরিক সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রমে গতিশীলতা আনা এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে এই শুনানির আয়োজন করে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম অনুষ্ঠানে বলেন, ধানমন্ডি লেককে কোনোভাবেই বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। ধানমন্ডি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নগর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হকার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, নগর ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে ঢাকা শহরের রিকশাচালক ও হকারদের একটি নিবন্ধন ব্যবস্থার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। যথাযথ নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ছাড়া কেউ ঢাকা শহরে এসে তাৎক্ষণিকভাবে হকারি বা রিকশা চালানোর সুযোগ পাবে না।

হকারদের জন্য নির্ধারিত স্থানে ব্যবসা পরিচালনার ব্যবস্থা করা হবে জানিয়ে প্রশাসক বলেন, ব্যবসা শেষে ময়লা-আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে রাখার বিষয়ে তাদের সচেতন করা হবে, যেন সিটি করপোরেশন সহজে তা অপসারণ করতে পারে।

ধানমন্ডি লেককে আরও নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব করার পরিকল্পনার কথাও বলেন আবদুস সালাম। তিনি বলেন, সেখানে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে না।

সম্প্রতি ঈদুল আজহায় কোরবানির বর্জ্য অপসারণে দক্ষিণ সিটি করপোরেশন ‘অতীতের সব রেকর্ড ভেঙেছে’ বলে দাবি করেন প্রশাসক।

তিনি নগরকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদেরও নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানান।

দক্ষিণ সিটির অঞ্চল-১ এর অন্তর্ভুক্ত ধানমন্ডি, নিউ মার্কেট, কলাবাগান ও শাহবাগ এলাকার নাগরিক, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা গণশুনানিতে অংশ নেন।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিরসন, ট্রেড লাইসেন্স, হোল্ডিং ট্যাক্স এবং জনস্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাদের অভাব-অভিযোগ ও পরামর্শ তুলে ধরেন তারা।

ডিএসসিসির পক্ষ থেকে নাগরিকদের উত্থাপিত সমস্যাগুলো দ্রুত নিষ্পত্তির আশ্বাস দেওয়া হয়। সংস্থাটি ১০টি অঞ্চলেই পর্যায়ক্রমে এই ধরনের গণশুনানি হবে বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/সিএম

  • সর্বশেষ
  • পঠিত