চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের সম্পদ জব্দ থাকবে: ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০৭ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে কোনো নতুন চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত তাদের সম্পদ অবমুক্ত করা হবে না। ইরানের তাদের আচরণ পরিবর্তন করার পরেই কেবল নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হবে।
রোববার (৭ জুন) সম্প্রচারিত এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন তিনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সেটা পরে হবে। হ্যাঁ, যদি তারা ঠিকমতো আচরণ করে, যদি তারা ভালো কাজ করে, তাহলে আমরা আলোচনা শুরু করব। একটি সম্ভাব্য চুক্তির অধীনে ইরানের পারমাণবিক উপাদান বা অবকাঠামো ঘটনাস্থলে বা বাইরে থেকে অপসারণ ও ধ্বংস করার জন্য মার্কিন সরঞ্জাম ব্যবহার করা হবে।
তিনি বলেন, যদি আমরা এমন একটি চুক্তি করি যে আমরা এখন বন্ধুত্বপূর্ণ, তাহলে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করব। এটা আমাদের সরঞ্জাম হবে। আমরা তা (ইউরেনিয়াম) বের করে ধ্বংস করব, সেটা ঘটনাস্থলেই হোক বা বাইরে নিয়ে যাই।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো চুক্তি না হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক ব্যবস্থা নেবে। আমরা খুব কঠোরভাবে তাদের নির্মূল করব।
মার্কিন স্পেস ফোর্সের কল্যাণে মহাকাশে ক্যামেরা থাকায় ওয়াশিংটন ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর নজরদারি রাখতে পারে বলে জানান ট্রাম্প।
‘মিট দ্য প্রেস’-এর সঞ্চালক ক্রিস্টেন ওয়েলকারকে তিনি বলেন, জানেন, এর সবখানে ক্যামেরা লাগানো আছে। যদি কেউ ওদিকে হেঁটে যায়, আপনি যদি ওদিকে যান, আমি আপনার ল্যাপেলে লেখা প্রথম নামটি পড়তে পারব। আর এই ক্যামেরাগুলো মহাকাশে রয়েছে। এটা সত্যিই এক অসাধারণ প্রযুক্তি।
চলমান সংঘাত স্থায়ী অবসানের জন্য আলোচনার অবস্থা ও সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে যুদ্ধ শুরুর পর সবচেয়ে বেশি বিস্তারিত মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য ‘সম্পূর্ণ পূরণ’ না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে মার্কিন সেনা মোতায়েন রাখার পক্ষে মত দিয়েছেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, আমাদের কয়েকটি বিষয় আছে। সেগুলোকে খুব বড় বিষয় বলেও মনে হয় না। তারা এই সত্যটি মেনে নিয়েছে যে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। সেখানে একটি ধারা ছিল যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না। এবং আমি ছাড়াও সবাই এতে খুব খুশি ছিল।
গত ফেব্রুয়ারিতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও তার অনেক সহযোগী নিহত হওয়ার পর ট্রাম্প ইরানের নতুন নেতৃত্বকে ‘আরও যুক্তিবাদী ও অত্যন্ত বুদ্ধিমান’ বলে মনে করছেন।
তিনি বলেন, খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি তার বাবার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন। একটি চুক্তির অনুমোদন প্রক্রিয়ার ‘অংশীজন’ হিসেবেও রয়েছেন। তরুণ। আমার মনে হয়, আরও বেশি যুক্তিবাদী।
বাংলাদেশ জার্নাল/এসআইপি










